আলিয়া ভট্ট আর রণবীর কপূর-এর বিয়ের ভুয়ো আমন্ত্রণপত্র ভাইরাল হয়েছে

ভুয়ো আমন্ত্রণপত্রে মিথ্যে দাবি করা হয়েছে যে, মুকেশ ভট্ট ও সোনি রাজদানের মেয়ে আলিয়া ভট্টর বিয়ে হচ্ছে।

অভিনেতা ও অভিনেত্রী রণবীর কপূর ও আলিয়া ভট্টের বিয়ের দিন ঘোষণা করে একটি ভুয়ো আমন্ত্রণপত্র ভাইরাল হয়েছে। ভুলে ভরা ওই আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে, ২২ জানুয়ারি ২০২০ তে তাঁরা বিয়ে করতে চলেছেন।

বুম রণবীর কপূরের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা প্রকাশ্যে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে এটুকু বলেন যে, ওই ভুলে-ভরা আমন্ত্রণপত্র পরিবারের দিক থেকে পাঠানো হয়েছে - এটা মনে করাটাই হাস্যকর। ওই আমন্ত্রণপত্রে দাবি করা হয়েছে যে, রণবীর কপূরের বাবা-মা ঋষি ও নিতু কাপুর ‘সগন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সগন হল একটি প্রথাগত অনুষ্ঠান। তাতে ছেলে আর মেয়ের পরিবারের মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ, আলাপ পরিচয় এবং মিষ্টি দেওয়া নেওয়া হয়।

আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে যে, ওই অনুষ্ঠান হবে উমেদ ভবন প্যালেসে। কিন্তু লেখার মধ্যে রয়েছে বিস্তর বানান ও ব্যাকরণগত ভুল। আমন্ত্রণপত্রে আলিয়া ভট্টর পরিচয় দেওয়া হয়েছে ‘মিসেস সোনি ও মিঃ মুকেশ ভট্টর’ মেয়ে হিসেবে। অথচ আলিয়া হলেন সোনি রাজদান ও মহেশ ভট্টর মেয়ে। মুকেশ হলেন আলিয়ার কাকা।

ওই কার্ডে ইংরেজিতে আলিয়া নামের বানানও ভুল লেখা হয়েছে। এমনকি তারিখটা ‘22nd January’ লেখার বদলে লেখা হয়েছে ‘22th January’।

ভাইরাল ছবিতে, সগন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণের কার্ডটি একটি সোনালী বাক্সের মধ্যে রাখা আছে।তার পেছনে বিয়ের নিমন্ত্রণের কার্ড দেখা যাচ্ছে।

যোধপুরে উমেদ ভবন প্যালেস সংরক্ষণ করার কাজ যারা দেখেন, বুম তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা জানান যে ওই তারিখে রণবীর কপূর ও আলিয়া ভট্টর বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ভবনটি রিজার্ভ করা হয়নি।

‘নিউজ-এক্স’র ডিজিটাল সংস্করণে দুই তারকার আসন্ন বিয়ে সম্পর্কে একটি খবর ছাপা হয় ২১ অক্টোবর তারিখে। ওই সংবাদ সংস্থা পরে দুঃখ প্রকাশ করে এবং খবরটি তুলে নেয়।

ভুয়ো আমন্ত্রণপত্র সহ নিউজ-এক্স’র ডিলিট করে দেওয়া প্রতিবেদনের স্ক্রিনশট।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আলিয়া ভট্ট এবং রণবীর কপূরের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনা চলছে। রণবীর কপূর সোশাল মিডিয়ায় নেই। কিন্তু আলিয়া ভট্ট মাঝে মাঝেই তাদের দুজনের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তাদের উপস্থিতির ছবিও দেখা যায়।

https://www.instagram.com/p/BsEOeh3AV2Q/

বুম আলিয়া ভট্টর মা সোনি রাজদানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তার বক্তব্য জানার পর, এই প্রতিবেদন আপডেট করা হবে।

Show Full Article
Next Story