BOOM
  • ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক
  • আইন
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Methodology-icon
    Methodology
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফ্যাক্ট চেক-icon
    ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ-icon
    বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক-icon
    ফাস্ট চেক
  • আইন-icon
    আইন
  • Home
  • ফ্যাক্ট চেক
  • দীপু দাস হত্যার সাথে যুক্ত করে ছড়াল...
ফ্যাক্ট চেক

দীপু দাস হত্যার সাথে যুক্ত করে ছড়াল বাংলাদেশে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট যুবকের মৃত্যুর দৃশ্য

পাবনা পুলিশ বুম বাংলাদেশকে জানায়, দীপু দাস হত্যা মামলায় বিদ্যুৎপৃষ্ট যুবক শাহাদাত হোসেনের অভিযুক্ত হওয়ার কোনও রেকর্ড নেই।

By -  Jagriti Trisha
Published -  6 July 2026 5:42 PM IST
  • দীপু দাস হত্যার সাথে যুক্ত করে ছড়াল বাংলাদেশে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট যুবকের মৃত্যুর দৃশ্য

    সমাজমাধ্যমে এক ব্যক্তির বিদ্যুতের তারে ঝুলে থাকার এক ছবি সম্প্রতি পোস্ট করে দাবি করা হয়, ছবিতে দেখতে পাওয়া ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশে দীপু দাস গণহত্যা (Dipu Das Mob Lynching) মামলার প্রধান অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।

    বুম যাচাই করে দেখে, দৃশ্যটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার সাম্প্রতিক এক ঘটনার। শাহাদাত হোসেন নামক এক ব্যক্তি সেখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। পাবনা পুলিশ বুম বাংলাদেশকে ভাইরাল দাবিটি সম্পূর্ণ খারিজ করে জানায়, দীপু দাস গণহত্যা মামলায় শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত হিসেবে কোনও রেকর্ড নেই।

    ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ২৭ বছর বয়সী দীপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ উক্ত ঘটনায় ২৩ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া দীপু দাসের ভাই ভালুকা থানায় এবিষয়ে ১৪০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

    ভাইরাল দাবি

    ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশন হিসেবে লেখা হয়, "১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারের একটি ভবনের ছাদে বৃষ্টির সময় ছাদের জমে থাকা জল পরিষ্কার করতে গিয়ে হাই ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শাহাদাত হোসেনের। শাহাদাত হোসেন উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের কদমডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ছিল। সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে যে, এই শাহাদাত হোসেন পোশাক শ্রমিক দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল।"

    পোস্টটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

    কী পেলাম আমরা অনুসন্ধানে: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ব্যক্তি দীপু দাস হত্যার সাথে সম্পর্কিত নয়, জানিয়েছে পুলিশ

    ১. ঘটনাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলায় ঘটেছে: বাংলায় সম্পর্কিত কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ১৮ জুন দৈনিক সকাল নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভাইরাল ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি বাংলাদেশের পাবনা জেলায়, যেখানে এক যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।

    এই সূত্র ধরে আরও অনুসন্ধান করলে বাংলা টাইমস, নাগরিক এক্সপ্রেস এবং কালের কণ্ঠ-সহ একাধিক বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে একই ঘটনার প্রতিবেদন পাওয়া যায়।

    ২. শাহাদাত হোসেন দীপু দাস হত্যা মামলার অভিযুক্ত ছিলেন না: সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ জুন সকাল প্রায় ১০টার দিকে পাবনার আটঘরিয়ার দেবোত্তর বাজারে অবস্থিত আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ভবনের ছাদে ঘটনাটি ঘটে। শাহাদাত হোসেন ছাদে জমে থাকা বৃষ্টির জল সরাতে গিয়েছিলেন। এসময় বাড়ির উপর পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    ৩. ভাইরাল দাবি খারিজ করল বাংলাদেশ পুলিশ: আরও নিশ্চিত হতে বুম বাংলাদেশ আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভাইরাল দাবিটি অস্বীকার করে তিনি বলেন, "শাহাদাত হোসেন সেখানে কাজ করতেন। তার দোকানে জল জমে গিয়েছিল। জল সরানোর সময় পা পিছলে বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি বৈদ্যুতিক তারের উপর তিনি পড়ে যান।"

    ওই পুলিশ অফিসার আরও জানান, "আমাদের থানায় তার বিরুদ্ধে কোনও রেকর্ড নেই। তিনি যদি ওই ঘটনায় জড়িত থাকতেন, তাহলে অবশ্যই আমাদের জানা থাকত।"

    এদিকে ঢাকা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পুলিশ ইমাম ইয়াসিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে এবং দীপু দাস হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে।

    (অতিরিক্ত রিপোর্টিং: তৌসিফ আকবর ও উম্মে আম্মারা ইভা, বুম বাংলাদেশ)

    Tags

    #Bangladesh
    Read Full Article
    Claim :   ছবিতে দেখা যায়, দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যাকারী শাহাদাত হোসেন বাংলাদেশে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে
    Claimed By :  Social Media Users
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!