BOOM
  • ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক
  • আইন
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Methodology-icon
    Methodology
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফ্যাক্ট চেক-icon
    ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ-icon
    বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক-icon
    ফাস্ট চেক
  • আইন-icon
    আইন
  • Home
  • ফ্যাক্ট চেক
  • ২০১৫ সালের ছবিকে কেরলে সম্প্রতি মৃত...
ফ্যাক্ট চেক

২০১৫ সালের ছবিকে কেরলে সম্প্রতি মৃত গর্ভবতী হস্তিনীর শেষকৃত্য বলা হল

বুম দেখে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া ছবিটি আসলে কর্নাটকের শ্রীগিরির তরলাবালু জগদগুরু মঠের গৌরী নামক হাতির শেষকৃত্যের।

By - Sumit Usha |
Published -  17 Jun 2020 2:34 PM IST
  • ২০১৫ সালের ছবিকে কেরলে সম্প্রতি মৃত গর্ভবতী হস্তিনীর শেষকৃত্য বলা হল

    কর্নাটকের একটি হাতির শেষকৃত্যের প্রায় পাঁচ বছরের পুরানো ছবি কেরলের পালাক্কড় জেলায় কিছু দিন আগে যে হস্তিনীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে তার শেষকৃত্যের ছবি বলে শেয়ার করা হয়েছে। এই হাতির মৃত্যুর ঘটনা জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল।

    ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে দেখা গেছে, গেরুয়া পোশাক পরা তিন জন সাধু ধর্মীয় বিধি পালন করছেন এবং হাতিটির দেহ একটি গর্তের মধ্যে শোওয়ানো রয়েছে। গর্তের চারপাশে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ ঘটনাটি দেখছেন। হাতিটির বাঁ পায়ে কন্নড় ভাষায় 'তরলাবালু' শব্দটি লেখা রয়েছে।
    এই বছর কেরলের পালাক্কড় জেলায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় একটি গর্ভবতী হস্তিনী আহত হয়। দুর্ঘটনাবশত ওই হাতিটি বিস্ফোরক ভর্তি নারকেল খেয়ে ফেলেছিল। স্থানীয় কলা এবং আনারসের ক্ষেত থেকে বন্য শুকরদের দূরে রাখার জন্য নারকেলটি রাখা হয়েছিল। ব্যথা কমার জন্য হস্তিনীটি জলে নেমে দাঁড়িয়ে ছিল এবং সেখানেই কয়েক ঘণ্টা পর ফুসফুস অকেজো হয়ে এবং পুষ্টির অভাবে ২০২০ সালের ২৭ মে তার মৃত্যু হয়।
    গর্ভবতী হস্তিনীর মৃত্যু সোশাল মিডিয়ায় বিরাট চাঞ্চল্য তৈরি করে এবং তার পর থেকেই নানান ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
    ভাইরাল হওয়া পোস্টের সঙ্গে হিন্দিতে যে ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে তার অনুবাদ: "আত্মার শান্তি হোক। গর্ভবতী হাতিকে শেষ বিদায়। ট্রিবিউট # কেরালা"
    (হিন্দি: আত্মার শান্তি হোক, गर्भवती हथनी की अंतिम विदाई की तस्वीर.. श्रधांजलि. #Kerela)
    ভাইরাল হওয়া পোস্টটি নীচে দেখতে পাবেন এবং আর্কাইভ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
    বিভিন্ন টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একই ক্যাপশনের সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করা হয়েছে।

    *गर्भवती हथनी की अंतिम विदाई की तस्वीर..* *श्रधांजलि..* 🙏😢 pic.twitter.com/ySyQDXeNh3

    — सिर्फ हिन्दू राष्ट्र देश के लिए मोदी और योगी 🚩🚩 (@Yoshi88001) June 11, 2020
    আরও পড়ুন: ভুয়ো বার্তায় দাবি জাভেদ আখতার নাকি রিচার্ড ডকিন্স পুরস্কার পাননি
    তথ্য যাচাই
    রিভার্স ইমেজ সার্চ করে আমরা কিছু পাইনি। হাতিটির বাঁ পায়ে কন্নড় ভাষায় যে তরলাবালু কথাটি লেখা ছিল সেটা দিয়ে বুম কিওয়ার্ড সার্চ করে এবং তরলাবালু জগদগুরু ব্রিহনমঠ নামে একটি ফেসবুক পেজ দেখতে পায়।২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ওই পেজে একই ছবি শেয়ার করা হয়েছিল।
    হাতিটির ছবির সঙ্গে কন্নড় ভাষায় একটি ক্যাপশন দেওয়া হয় যার অনুবাদঃ "তরলাবালু মঠের গৌরী নামের হাতিটি আর নেই।" এই ক্যাপশন থেকে বোঝা যায়, হাতিটির নাম ছিল গৌরী।(Kannada: Taralabalu matada Anne Gowri innila)
    বুম অনুসন্ধান করে দেখতে পায় তরলাবালু জগদগুরু ব্রিহন্মঠ কর্নাটকের চিত্রদুর্গা জেলার শ্রীগিরি শহরে অবস্থিত।
    ২০১৭ সালের ৯ জুন তরলাবালু ইনফোটেনমেন্ট ফেসবুক পেজ থেকে এই একই ছবি শেয়ার করা হয়, সঙ্গে কন্নড় ভাষায় একটি লম্বা ক্যাপশন দেওয়া হয়।
    এই পোস্টে হাতিটিকে শ্রীগিরির তরলাবালু জগদগুরু মঠের গৌরী বলে শনাক্ত করা হয়।
    'তরলাবালু মঠের হাতি গৌরী আর নেই' এই কথাগুলি কন্নড় ভাষায় লিখে আমরা কিওয়ার্ড সার্চ করি এবং ২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর কন্নড় ভাষার ওয়েবসাইট ওয়ান ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন দেখতে পাই। এই প্রতিবেদনে জানানো হয় যে তরলাবালু জগদগুরু মঠের গৌরী নামের হাতিটির ওই মাসের শুরুতে মৃত্যু হয়েছিল।

    ফেসবুক পোস্টের ছবিতে যে সন্ন্যাসীদের প্রাণীটির শেষকৃত্য করতে দেখা যাচ্ছে এবং ওই প্রতিবেদনের ছবিতে যাঁদের দেখা যাচ্ছে, তাঁরা একই মানুষ।
    মন্তব্য করার জন্য মঠের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও উত্তর পেলেই তা এই প্রতিবেদনে জানিয়ে দেওয়া হবে।
    আরও পড়ুন: সম্পর্কহীন ছবি ছড়িয়ে বলা হল যুবকটি গর্ভবতী হস্তিনীর হত্যাকারী

    Tags

    Viral ImageFact CheckFake NewsOld ImageElephantKerala Elephant DeathKeralaPalakkadKarnatakaTaralabalu Jagadguru Brihanmath
    Read Full Article
    Claim :   ছবির দাবি কেরলে সম্প্রতি মৃত হাতিটির শেষকৃত্যর অনুষ্ঠান
    Claimed By :  Social Media
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!