মিথ্যা: পর্যটন মন্ত্রক ঘোষণা করেছে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত হোটেল বন্ধ থাকবে

একটি ভাইরাল বার্তায় দবি করা হয়েছে যে, আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সব রেস্তোরাঁ, হোটেল ও রিসর্ট বন্ধ থাকবে। কিন্তু পর্যটন মন্ত্রক এরকম কোনও নির্দেশ দেয়নি।

সোশাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে সেটি নাকি পর্যটন মন্ত্রকের একটি বিজ্ঞপ্তি। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত কোভিড-১৯-এর জন্য সব রেস্তোরাঁ, হোটেল ও রিসর্ট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছ।

দাবিটি মিথ্যে। ৮ এপ্রিলে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) একটি বিবৃতিতে জানায় যে, পর্যটন মন্ত্রক সে রকম কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। পিআইবির টুইটে বলা হয়, "#ভুয়ো নির্দেশ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। দাবি করা হয়েছে যে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে, হোটেল/রেস্তোরাঁ ১৫ অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।"

সার্কুলারটিতে রয়েছে অশোক স্তম্ভের চিহ্ন আর তার পাশে লেখা আছে, "মিনিস্ট্রি অফ টুরিজম, গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া।" ওই লোগোর নীচে ইংরেজিতে যা লেখা আছে, তা এই রকম:

"ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের অর্ডারের ভিত্তিতে ভারতের সব পর্যটন দপ্তর জানাচ্ছে যে, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে, হোটেল, রেস্তরাঁ ও রিসর্ট ১৫ অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। অর্ডারটি সরাসরি ভারতের পর্যটন দপ্তর থেকে এসেছে। উত্তর ভারতের সব গুরুত্বপূর্ণ হোটেল, রিসর্ট ও রেস্তরাঁ ওই তারিখ অবধি বন্ধ থাকবে। যদি কোনও গাফিলতি দেখা যায়, তা হলে হোটেলের মালিকের বিরুদ্ধে কেস করা হবে। আরও তথ্য জানতে ইন্ডিয়ানটুরিজমডটওআরজি-তে লগ অন করুন।"

আরও পড়ুন: মিথ্যে: ভিডিওতে একজন মুসলমান করোনাভাইরাস ছড়াতে পাঁউরুটিতে থুতু দিচ্ছে


সার্কুলারটি বানান ও ব্যাকরণ ভুলে ভরা। তাছাড়া অর্ডারটি 'পর্যটন মন্ত্রকের' বলে দাবি করা হলেও, বারবারই বলা হচ্ছে অর্ডারটি আসে "ভারতের পর্যটন দপ্তর থেকে।" সাধারণত এই ধরনের বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে এটা ধরেই নেওয়া হয়। আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। তাছাড়া, যে ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া আছে, বুম দেখে সেটির কোনও অস্তিত্বই নেই।

ওই ভুয়ো বিজ্ঞপ্তিটি সোশাল মিডিয়া ও হোয়াটসঅ্যাপে এক সপ্তাহ ধরে ছড়াচ্ছে। বুমের হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইন নম্বরেও ওই ছবিটি আসে।


Claim :   বার্তার দাবি পর্যটন মন্ত্রক আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সব রেস্তোরাঁ, হোটেল ও রিসর্ট বন্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছে
Claimed By :  WhatsApp Messages
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.