পশু কুরবানী নিয়ে বিল গেটসের ভুয়ো টুইটের বঙ্গানুবাদ ভাইরাল

বুম যাচাই করে দেখেছে এই ধরনের কোনও টুইট মাইক্রোসফট কর্ণধার করেননি।

সোশাল মিডিয়ায় মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উৎসব ইদুজ্জোহাতে পশু কুরবানি নিয়ে মাইক্রোসফট কর্ণধার বিল গেটসের একটি ভুয়ো টুইট ও তার বঙ্গানুবাদ ভাইরাল হয়েছে। টুইটটি কবে করা হয়েছে তার তারিখ-সময় দেওয়া নেই।

বাংলায় অনুবাদ টুইটটি - "মুসলমানদের পশু উৎসর্গ নিয়ে ঘৃণার কোন টুইট আমি দেখতে চাই না। যেখানে অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে ধনী ব্যক্তিদেরকে খাওয়ানোর জন্য কেএফসি, ম্যাকডোনাল্ডস, বার্গার কিংয়ে প্রতিদিন ১ মিলিয়ন প্রাণী হত্যা করা হয়। ইদের সময় মুসলমানরা গরীবদেরকে বিনামূল্যে খাওয়ানোর জন্য কোরবানী করে এবং তোমরা উন্মাদ হয়ে যাও"

ইংরেজিতে মূল টুইটটি, ‘‘I don’t want to see any tweet hating on Muslims for slaughtering animals, about 1 million animals killed each day by KFC, McDonalds, Burger King etc. too feed the rich & making hella money out of it. During Eid Muslims sacrifice them to feed the poor for Free & y’all lose ur mind’’

পোস্টটিতে ক্যাপশন লেখা হয়েছে: বিল গেটস চমৎকার বলেছেন। তিনি বলেছেন "মুসলমানদের পশু জবেহকে কেন্দ্র করে ঘৃণাসূচক কোন টুইট আমি দেখতে চাই না। যেখানে অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে ধনী ব্যক্তিদেরকে খাওয়ানোর জন্য কেএফসি, ম্যাকডোনাল্ডস, বার্গার কিংয়ে প্রতিদিন ১ মিলিয়ন প্রাণী হত্যা করা হয়। অন্যদিকে মুসলমানরা গরীবদেরকে খাওয়ানোর জন্য ঈদের সময় কোরবানী করে আর তাতে তোমরা উন্মাদ হয়ে যাও"

পেস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

ফেসবুকে কিওয়ার্ড সার্চ করে দেখা গেছে ওই ভুয়ো টুইটের অনুবাদ ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে।

ফেসবুকে ভাইরাল ভুয়ো টুইটের অনুবাদ।

তথ্য যাচাই

বুম বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট থেকে এই বক্তব্যের কোনও টুইট খুঁজে পায়নি। গণমাধ্যেমেও তাই এনিয়ে কোনও খবর প্রকাশিত হয়নি।

বুম টুইটারে ওই টুইটের ইংরেজি বাক্য সার্চ করে দেখেছে এবছরের ১০ অগস্ট ১১:২৩ সময়ে ওই একই বাক্যের টুইটটি করা হয় উলফিবেবি নামের একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে। পরে ওই বক্তব্য বাংলা অনুবাদে ভাইরাল হয়।



টুইটটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

Claim Review :  মুসলমানদের পশু উৎসর্গ নিয়ে ঘৃণার কোন টুইট আমি দেখতে চাই না, লিখলেন বিল গেটস
Claimed By :  FACEBOOK POSTS
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story