জি টিভির মালিক সুভাষ চন্দ্র কী ফেরার হয়েছেন? একটি তথ্যযাচাই

সুভাষ চন্দ্রের পুত্র পুনিত গোয়েঙ্কা ২৯ সেপ্টেম্বর টুইট করে দেশছাড়ার গুজব নস্যাৎ করেছেন।

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়েছে গণমাধ্যম জি টিভির কর্ণধার ও বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুভাষ চন্দ্র গোয়েঙ্কা দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন এবং ফেরার হয়েছেন। সুভাষ চন্দ্র এসেল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা-কর্ণধার। জি মিডিয়া এসেল গ্রুপের অধীন।

সাম্প্রতিক সময়ে(৩০ সেপ্টেম্বর) জি এন্টারটেইনমেন্ট এর শেয়ারে ধস নেমেছে ৮ শতাংশ। বিজনেস লাইনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী সুভাষ চন্দ্রের বকেয়া ঋণের পরিমান প্রায় ৫-৬ হাজার কোটি টাকা। ২০১৬ সালের মে মাসে তিনি জি মিডিয়ার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন। ২০১৬ সালে হরিয়ানা রাজ্য থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হন।

ফেসবুক পোস্টটিতে ক্যাপশন লেখা হয়েছে, ‘‘আর এক পাখি উড়েছে, ৩৫ হাজার কোটি নিয়ে ফুররররর্। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ আর বিজেপির প্রচারক Zee টিভির মালিক সুভাষ চন্দ্র দেশ ছেড়ে ফেরার, হলো FIR তার বিরুদ্ধে..’’

এই প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত পোস্টটি ১৪৯ জন শেয়ার করেছেন ও ১৪৮ জন লাইক করেছেন।

পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

তথ্য যাচাই

সোশাল মিডিয়ায় এই গুজব ছড়ালে সুভাষ চন্দ্রের পুত্র তথা জি এন্টারটেইনমেন্ট এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও পুনিত গোয়েঙ্কা টুইট করে জানান এই খবরটি ভুয়ো। অন্যান্য গণমাধ্যমেও এই গুজবকে নস্যাৎ করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পুনিত গোয়াঙ্কা ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ২৩ সময়ে তার টুইটে লেখেন, ‘‍‘আমার দৃষ্টিগোচরে আনা হয়েছে কিছু অসাধু রটাচ্ছে আমার বাবা ও আমাদের চেয়ারম্যান শ্রী সুভাষ চন্দ্র দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এই টুইট দ্বারা আমি সোজাসুজি বলতে চাই তিনি মুম্বাইয়ে বাড়িতেই রয়েছেন। তিনি একজন যোদ্ধা ও দেশপ্রেমিক এবং অবশ্যই প্রতিকূলতা থেকে পালিয়ে যাওয়ার কেউ নন। আমার বার্তা যারা যারা এই প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তারা যেন জীবনের ইতিবাচক দিকগুলিতে মনোযোগ দেন।’’





২৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টা ২২ মিনিটে সুভাষ চন্দ্র টুইট করে তার বাড়িতে তার চোখের অস্ত্রপ্চারের ব্যাপরে শুভকামনা জানাতে আসা সকলকে ধন্যবাদও জানান। ওই টুইটে বসারঘরে বসে থাকা অবস্থায় সুভাষ চন্দ্র এক অতিথির সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন।



Claim :   বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ আর বিজেপির প্রচারক জি টিভির মালিক সুভাষ চন্দ্র দেশ ছেড়ে ফেরার
Claimed By :  FACEBOOK POST
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.