থাই সন্ন্যাসীদের ভিক্ষাদানের ছবি বিজেপির কুচবিহার সমাবেশের ভিড় বলে ভাইরাল

ছবিটি আসলে থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ভিক্ষাপ্রদানের একটি অনুষ্ঠানের ছবি

থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ভিক্ষা নেওয়ার একটি অনুষ্ঠানের অনেক উঁচু থেকে তোলা একটি ছবিকে মিথ্যা ভাবে প্রচার করা হল পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে ভারতীয় জনতা পার্টির সমাবেশের ছবি বলে।

ছবিটির সঙ্গের লেখায় দাবি করা হয়েছে, “এটি বাংলায় বিজেপির কুচবিহার সমাবেশের ছবি। আজ মমতার ঘুম চলে যাবে”।

যে হিন্দি টেক্সট থেকে এটি অনুবাদ করা হয়েছে, সেটি হল: ये #बंगाल में #भाजपा की रैली का नजारा है, कूचबिहार की रैली, आज तो #ममता बंगाल की नींद गायब हो गयी होगी।। ‘চৌকিদার নরেন্দ্র মোদী’-র ফেসবুক পেজ থেকেও একই ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টের আর্কাইভ সংস্করণ এখানে ও এই লিঙ্কে দেখতে পাবেন।

তথ্য যাচাই

বুম ফটোগ্রাফটির রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখে যে এটি আসলে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে তোলা একটি ছবি। থাইল্যান্ডের সামুত সাখন প্রদেশের একটি ভিক্ষাবণ্টন অনুষ্ঠানে ছবিটি তোলা হয়।

সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ওখানে বসবসবাসকারী বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের জন্য দ্বিতীয় ভিক্ষাবণ্টন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।প্রায় নয়টি প্রদেশ থেকে আসা প্রায় ১০,০০০ সন্ন্যাসীকে ভিক্ষা দেওয়া হয়। dmc.tv নামের বৌদ্ধ শিক্ষার একটি ধর্মীয় চ্যানেলে অন্য অনেক ছবির সঙ্গে এই ছবিটিও তখন আপলোড করা হয়েছিল।

dmc.tv তে দেখানো ওই ছবির স্ক্রিনশট।

আমরা ফেসবুকের একটি ভেরিফায়েড অ্যকাউন্টের ২০১৫ সালের একটি পোস্টে ওই একই ছবি দেখতে পাই। সঙ্গে লেখা ছিল, “সামুতপ্রাকর্ন প্রদেশে ১০,০০০ সন্ন্যাসীকে ভিক্ষা বণ্টন অনুষ্ঠান উপভোগ করুন।

একই রাস্তার আরও একটি ছবিতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ছবিটি বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের, বিজেপি সমর্থকদের নয়।

প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ৭ এপ্রিল, ২০১৯ কুচবিহারে একটি জনসভা করেন।সেখানে প্রচুর লোক সমাগম হয়েছিল। (নীচে ভিডিওটি দেখতে পাবেন)। কিন্তু, ফেসবুকে যে ছবিটি শেয়ার করা হয়েছে, সেটি আসলে ব্যাংককের ছবি।



Claim :   এটি বাংলায় বিজেপির কুচবিহার সমাবেশের ছবি।
Claimed By :  FACEBOOK POSTS
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.