সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা যোগগুরু রামদেবের জার্মানিতে হাঁটুর অস্ত্রপ্রচারের ছবিটি ভুয়ো

২০১১ সালে যোগগুরু রামদেব বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরোনো ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কড়া আইনের দাবিতে ন’দিন অনশন করছিলেন। দেরাদুনের হাসপাতালে এটি তার অনশন ভাঙার ছবি।

ফেসবুকে যোগগুরু রামদেবের একটি ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছে সেটি রামদেবের জার্মানিতে হাঁটুর অস্ত্রপ্রচারের ছবি। পোস্টিতে হিন্দিতে ক্যাপশন লেখা হয়েছে, ‘‘যোগ করো নিরোগ থাকো’, যোগগুরু রামদেবের হাঁটুর জার্মানিতে সফল অস্ত্রপ্রচার!! ‘তুমি নিজে নিজে করো’ এই ব্যক্তি বলতেন না— মুত্র পান ও গোবর খেলে রোগ থাকে না, মাথা ঠিক থাকে?’ নিজে খায়না অপরকে খাওয়ায়।’’

(মূল হিন্দিতে পোস্টটি: " करो योग , रहो निरोग " योग गुरु रामदेव के घुटनो का जर्मनी में सफल ऑपरेशन ! ! " तुम स्वदेशी अपनाओ " ये आदमी ही कहता था ना . . . मूत्र पीने और गोबर खाने से फलां रोग ठीक होता है ढिमका रोग ठीक होता है ? . . . . खुद खाता नहीं दूसरों को खिलाता है ।)

পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

তথ্য যাচাই

বুম রিভার্স সার্চ করে এই ছবি সহ দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনের একটি প্রতিবেদন খুঁজে পেয়েছে।

২০১১ সালের ১৩ জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম লেখা হয়েছিল, ‘‘রামদেবের অবস্থা স্থিতিশীল কাল ছুটি দেওয়া হতে পারে।’’

ওই প্রতিবেদনের ছবিটির ক্যাপশন লেখা রয়েছে, ‘‘রবিবার দেরাদুনের একটি হাসপাতালে আর্ট অফ লিভিং গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (কেন্দ্রে) এবং মোরারি বাপু যোগগুরু বাবা রামদেবকে তার দীর্ঘ নয় দিন ব্যপী অনশন ভাঙতে জুস দিচ্ছেন। রামদেবের সহযোগী বালাকৃষ্ণকে ডানদিকে দেখা যাচ্ছে।- পিটিআই।’’

(মূল ইংরেজিতে ক্যাপশন: ‘‘Art of Living Guru Sri Sri Ravi Shankar (C) and Morari Bapu offer juice to yoga guru Baba Ramdev to break his nine-day-long fast at a hospital in Dehradun on Sunday. Ramdev's aide Balkrishna is seen at right.- PTI’’)

পতঞ্জলি যোগপিঠে বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরোনো ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কড়া আইনের দাবিতে সাত দিন ধরে অনশন করার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে হরিদ্বারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে দেরাদুনের একটি হাসপাতালে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। বিস্তারিত পড়া যাবে এখানে

Claim Review :  রামদেবের জার্মানিতে হাঁটুর অস্ত্রপ্রচারের ছবি
Claimed By :  FACEBOOK POSTS
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story