মিথ্যে দাবি সমেত রাহুল গান্ধীর এক পুরনো ভিডিও পুণঃপ্রচার করা হচ্ছে

ভিডিওটিতে রাহুল গান্ধীকে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের সঙ্গে প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে

একটি পুরনো ভিডিও, যেখানে রাহুল গান্ধীকে মুসলমান ধর্মগুরুদের সঙ্গে প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর দাবি সমেত আবার সোশাল মিডিয়ায় ফিরে এসেছে। এক মিনিটের ওই ভিডিওতে, রাহুল গান্ধীকে সম্ভবত এক দরগায় প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেটি এখন ভাইরাল হয়েছে এই দাবি করে যে, তিনি যে একজন মুসলমান রাহুল গান্ধী সে কথা এত কাল গোপন করেছিলেন।

দাবির বয়ানটি হল এই রকম: "#দেখেনিন ! বাবা মুসলিম মা খ্রিস্টান আর ছেলে #পাপ্পুব্রাহ্মণ। আসল পরিচয় বাবরের বংশধর হলেন রাহুল গান্ধী। এখনো না যদি চোখ খোলে তাহলে আর কোন দিন চোখ খুলবে না।"

ভিডিওটিতে রাহুল গান্ধীকে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের সঙ্গে প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে। রাহুলের সঙ্গে একজন বর্ষীয়ান ধর্মগুরুকেও প্রার্থনা করতে দেখা যাচ্ছে ভিডিওটিতে। পোস্টটি দেখা যাবে এখানে এবং পোস্টটি

আর্কাইভ করা আছে এখানে

পোস্টটি ১ মে শেয়ার করা হয়। এবং ইতিমধ্যেই সেটি ২,৫০০ বার দেখা হয়েছে।
ভিডিওটি একই ধরনের দাবি সমেত আগেও প্রচার করা হয়েছিল।


তথ্য যাচাই

বুম ‘রাহুল গান্ধীর মুসলমান ধর্মস্থান পরিদর্শন’ বিষয়ক ভিডিওগুলি সন্ধান করে। সার্চ করার জন্য ব্যবহার করা হয় প্রধান শব্দ ‘দরগায় রাহুল গান্ধী’।

ফলাফল হিসেবে, ইউটিউবে ‘সাহারা সময়’র এক খবরের ক্লিপিং দেখা যায়। ওই একই ভিডিওর স্ক্রিনশট দেখা যায় তাতে। সেটিতে আহমেদ নগরে রাহুল গান্ধীর কিচাউচা শারিফ দরগা দর্শন করার কথা উল্লেখ করা হয়।

রিপোর্টটি সেপ্টেম্বর ২০১৬-য় প্রকাশিত হয়, যখন রাহুল গান্ধী উত্তর প্রদেশের ওই দরগা দর্শন করতে যান। লেখাটি এখানে পড়া যেতে পারে। অযোধ্যায় থাকা কালে, ওই দরগার কিছুক্ষণ কাটানো ছাড়াও, রাহুল গান্ধী হনুমানগ্রাহী মন্দিরও দর্শন করেন। ‘আজ তক’-এর খবর অনুযায়ী রাহুল গান্ধী মৌলানা সুহেল আশরফের সঙ্গে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন।

Claim :   আসল পরিচয় বাবরের বংশধর হলেন রাহুল গান্ধী
Claimed By :  FACEBOOK POSTS
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.