প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হৃদরোগে মৃত্যু: ভুয়ো ছবি সহ ছড়াল গুজব

বুম মূল ছবিটিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ২০১০ সালে দিল্লীর এক পথ সভায় নিতিন গডকড়ীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ছবি এটি।

ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরে যাওয়ার ছবি শেয়ার করে ভুয়ো দাবি করা হয়েছে তিনি দেহত্যাগ করেছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরে গেছেন। তার হাত ধরে রয়েছেন হলুদ পাঞ্জাবি পরিহিত ব্যক্তি। পাশে রয়েছেন অমিত শাহ।

ফেসবুক পোস্টটিতে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‍‘মোদীর হার্ট অ্যাটাক খুশির খবর। মোদীর শেষ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী কাল সকালে।’’

প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত পোস্টটি শেয়ার করেছেন ১৪৭ জন ও লাইক করেছেন ৪২১ জন। পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

ভুয়ো ছবি সহ পোস্টটির স্ক্রিনশট।

ছবিটি এবছরের মার্চ মাস নাগাদ ফেসবুকে ছড়িয়েছিল। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

তথ্য যাচাই

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হৃদরোগে আক্রান্ত ও দেহত্যাগের খবরটি ভুয়ো। ছবিটি ফটোশপ করা।

বুম ছবিটিকে গুগুলে রিভার্স সার্চ করে দেখেছে ছবিটি বেশ কয়েকবার ফেসবুক ও টুইটারে ঘুরে ফিরে এসেছে।

গুগুল ইমেজ সার্চের ফলাফল।

বুম আরও তল্লাশি চালিয়ে মূল ছবিটি খুঁজে পেয়েছে। এটি ২০১০ সালে নিতিন গডকড়ীর নতুন দিল্লীতে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ছবি। তিনি সেবছরের ২১ এপ্রিল মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপি আয়োজিত এক পথ সভায় অংশ নেন। সেসময় এই ঘটনা ঘটে। গেটি ইমেজে দেখা যাবে এই ছবি। ছবিটি তোলেন পরভিন নেগি।

মূল ছবিটিটে বাম পাশে হলুদ পাঞ্জাবির ব্যক্তি ও হালাকা গোলাপি রঙের মুখে দাড়ি থাকা ব্যক্তি রয়েছেন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা জামার ওপরে কালো কোট পরিহিত ব্যক্তিটি অন্য আরেকজন। তার ছবি থেকে তৈরি করা ভুয়ো ছবিতে বসানো হয়েছে অমিত শাহের মাথা। লুটিয়ে রয়েছেন নিতিন গড়কড়ী। তার মুখই বদল করে ভুয়ো ছবিতে লাগানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মেদীর মুখ।

বাম দিকে আসল ছবি। ডান দিকের ছবিটি নকল।
Claim :   প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হৃদরোগে মৃত্যুর ভুয়ো খবর
Claimed By :  FACEBOOK POST
Fact Check :  FALSE
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.