টলিউড চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বলেন , “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেন ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হন। সেজন্যই এখানে এলাম। আগেও তৃণমূলের হয়ে প্রচার করেছি। এবার দলে যোগ দিলাম। সকলকে বলব, এগিয়ে আসুন।”
জুন মাল্য বলেন, 'খেলা হবে তো? আমি দিদির সঙ্গে আছি। আজীবন থাকব। রাজনীতি বুঝি না। মানুষকে বুঝি আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুঝি।' 'ঝড় উঠেছে বঙ্গে, আমরা দিদির সঙ্গে'-এই স্লোগান তোলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।

সাহাগঞ্জে তৃণমূলের দলীয় জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে। মমতা জনসভা থেকে বলেন, “খেলা হবে, আমি থাকব গোলরক্ষক, একটাও গোল করতে পারবেন না। দু'অক্ষর বাংলা বলে রাজ্যের মানুষের মন জয় করা যাবে না।”

প্রধানমন্ত্রী মোদীর দক্ষিনেশ্বর মেট্রো স্টেশন উদ্বোধনকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, "আমি রেল মন্ত্রী থাকার সময় সব করে গেছি, তিনি এখন ফিতে কাটছেন।" আরও বলেন, “এই দেশে এখন দ’টো নেতা। একটা হচ্ছে হোদল কুতকুত, অন্যটা কিম্ভূতকিমাকার, গায়ের জোর দেখাচ্ছে।”

কেন্দ্রীয় সংস্থা বিলগ্নীকরণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তোপ দাগেন, “তোমার সারা গায়ে ময়লা লেগে আছে। নোট বন্দীর টাকা কোথায় গেল? বিএসএনএল কেন বিক্রি হল, কোল ইন্ডিয়া কেন বিক্রি হল।”

সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি ও কাটমানি প্রসঙ্গে জবাবে মমতা বলেন, “আপনি দাঙ্গাবাজ, যারা ৫-১০ টাকা তোলে তাঁকে তোলাবাজ বলে। আর আপনারা কোটি কোটি টাকা কাটমানি খান, কারখানা বিক্রি করেন, দেশ বিক্রি করেন।”
অভিনেত্রী সায়নী ও দেবলীনা প্রসঙ্গে মমতা বলেন, "ক'টা টুইট নিয়ে কত অপমান করা হয়েছে সায়নীকে। বিজেপিতে মেয়েরা সুরক্ষিত নয়। আমাদের দলে মেয়ে-মায়ের সম্মান আছে। পশ্চিমবঙ্গ নদীমাতৃকা দেশ, মায়ের দেশ।"