শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারি নিউ আলিপুর থানা এলাকায় কোকেন সহ ধরা পডেন রাজ্য বিজেপি যুব মোর্চার সম্পাদক ও হুগলির যুব মোর্চার পর্যবেক্ষক পামেলা গোস্বামী। সে সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রবীর দে ও দেহরক্ষী সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়।

বিমান সেবিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন পামেলা। অভিনয় ও মডেলিংয়ের পেশা ছেড়ে পামেলা গোস্বামী ২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পরের বছর বিজেপি যুব মোর্চার সাধারন সম্পাদক হন।

শনিবার আলিপুরের বিশেষ নার্কোটিক আদালতে তোলা হলে এদিন বিচারক তিনজনকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পামেলার অভিযোগ, "চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে বিধানসভা টিকিট দেওয়া হবে বলে রাকেশ সিংদ ওই এলাকায় আসতে বলেছিলেন। এর পর পুলিশ ঘিরে ফেলে, পিছনের সিট থেকে কোকেন উদ্ধার করে।"

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার ডায়মন্ড হারবর সফরেরর সময় রাকেশ সিংহকে তাঁর সঙ্গে দেখা যায়। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বরাদ্দ রয়েছে রাকেশের। পামেলার দাবি নস্যাৎ করে রাকেশের দাবি তিনি যে কোনও তদন্তের জন্য প্রস্তুত।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, "চক্রান্ত আছে কিনা তা-ও দেখতে হবে। কারণ আমাদের অনেক কর্মীকে মিথ্যে মাদক মামলায় ফাঁসানো হয়ছে।"