২০১৭ সালে গোঘাটে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের হেনস্থার ঘটনা জিইয়ে তোলা হল

বুম দেখে রাজ্যসভা সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের হুগলীর গোঘাটে হেনস্থা হওয়ার ঘটনাটি ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসের।

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও বাম-কংগ্রেস মনোনীত রাজ্যসভা সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে ২০১৭ সালে গোঘাটে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করার ঘটনাকে ফেসবুকে সাম্প্রতিক ঘটনা বলে শেয়ার করা হচ্ছে।

বুম এব্যাপারে রাজ্যসভা সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বুমকে জানান যে, "এটি পুরনো ঘটনা।"

ফেসবুকে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের ছবি সহ একটি গ্রাফিক পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে যেখানে লেখা আছে, "বিকাশরঞ্জনকে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে মার গোঘাটে, অভিযুক্ত তৃনমূল।"
পোস্টটিতে ক্যাপশন লেখা হয়েছে, "ধিক্কার জানাই।" ফেসবুক ব্যাবহারকারীরা ঘটনাটিকে সাম্প্রতিক ভেবে ব্যাপকভাবে শেয়ার করেছেন।
পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। আর্কাইভ করা আছে এখানে

বুম তথ্য যাচাই করে দেখে যে ঘটনাটি সাম্প্রতিক নয়, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের শারীরিক নিগৃহের ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে হুগলীর আরামবাগ মহকুমার গোঘাটে।
বুম এনডিটিভি এবং টাইমস অফ ইন্ডিয়ার ১ এপ্রিল ২০১৭ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে যে, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য গোঘাটের কাছে উলহাসপুরে শারীরিকভাবে নিগৃহীত হন।
তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেললাইন পাতার জন্য জমি অধিগ্রহন সংক্রান্ত বিষয়ে জট কাটাতে স্থানীয় দিঘির মালিকের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে সেভ ডেমোক্রেসি ফোরাম নামে একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য সহ ৬ জন সদস্য সেখানে যান। সেভ ডেমোক্রেসি ফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়।
সে সময় উলহাসপুরের কাছে ফোরামের সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। বিক্ষোভকারীরা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করে ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছে ফোরামের সদস্যদের উদ্ধার করে।
তৃণমূলের গুন্ডারা নিগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ করেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। জেলাস্তরের তৃণমূল নেতারা ওই অভিযোগ অস্বীকার করে। আরামবাগ মহাকুমা থানায় বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

Updated On: 2020-08-07T18:20:31+05:30
Claim :   রাজ্যসভা সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে গোঘাটে নিগৃহীত হয়েছেন
Claimed By :  Facebook Posts
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.