২০১২ সালে আফগানদের ইদ-আল-আজহার নামাজ পড়ার ছবি মিথ্যে দাবিতে ভাইরাল

বুম যাচাই করে দেখে ছবিটি ২০১২ সালের ২৬ অক্টোবর পূর্ব জালালাবাদের উপকন্ঠে এক মসজিদের বাইরে ইদ-আল-আজহার নামাজ পড়ার দৃশ্য।

২০১২ সালে আফগানিস্তানের (Afghanistan) রাজধানী কাবুলের পূর্ব জালালাবাদে সাধারন নাগরিকদের ইদ-আল-আজহার (Eid Al-Adha) নামাজ পড়ার (Namaz) ছবি মিথ্যে দাবি সহ সোশাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে।

১৫ অগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালিবানদের দখলে চলে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে। আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরাফ ঘানি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। ইসলামিক এমরিট অফ আফগানিস্তান নতুন নাম দিয়েছে দেশটির। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এখনও আফগানিস্তান রয়েছেন। তালিবানের সঙ্গে সমঝোতা চালিয়ে যাবেন বলে রবিবার বার্তা দিয়েছেন তিনি। কাবুল বিমানবন্দরে দেশ ছাড়তে চেয়ে ভিড় বাড়াচ্ছে নাগরিকরা। দূর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও অবশ্য স্পষ্ট নয়

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে একসাথে অনেক মানুষকে এক জায়গায় সমবেত হয়ে নামাজ পড়তে দেখা যায়। ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে ক্যাপশন লেখা হয়, "কাবুল বিজয়ের পর, শুকরানা নামাজ আদায় করছেন৷"

ছবিটি দেখা যাবে এখানে


আরও পড়ুন: মিথ্যে দাবি সহ ছড়াল ২০১৪ সালে দৌড়ানো গর্ভবতী অ্যালিসা মন্টানোর ছবি

তথ্য যাচাই

বুম ছবিটিকে রিভার্স সার্চ করে ২০১২ সালের ২ নভেম্বর প্রকাশিত দ্য আটলান্টিক-এর এক প্রতিবেদনে ছবিটিকে খুঁজে পায়। প্রতিবেদনটির ২০ নম্বর ছবিতে রয়েছে ভাইরাল ছবিটি। ছবিটিকে জালালাবাদের অদূরে এক মসজিদের বাইরে ২০১২ সালের ২৬ অক্টোবর আফগানদের ইদ-আল-আজহার নামাজ পড়ার দৃশ্য বলে উল্লেখ করা হয়।

বুম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ওয়েবসাইটেও আসল ছবিটিকে খুঁজে পেয়েছে। ছবিটির ক্যাপশন হিসাবে লেখা হয়, "আফগানিস্তানের কাবুলের পূর্ব জালালাবাদের অদূরে এক মসজিদের বাইরে ২০১২ সালের ২৬ অক্টোবর, শুক্রবার, আফগানরা ইদ-আল-আজহার নামাজ পড়ছেন। ইদ-আল-আজহার হল সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের এক উৎসব যার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আনুগত্য প্রদর্শনে নবী ইব্রাহিমের নিজের পুত্রের কুরবানিকে স্মরণ করা হয়।" অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তরফে ছবিটি তোলেন রহমত গুল।


আরও পড়ুন: বিহারে জানালা দিয়ে কোভিড টিকা নেওয়ার ভিডিও পশ্চিমবঙ্গের বলে ভাইরাল

Updated On: 2021-08-16T16:36:17+05:30
Claim Review :   ছবির দাবি আফগানিস্তানের কাবুল বিজয়ের পর নামাজ পড়ছে তালিবানরা
Claimed By :  Facebook Post
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story