২০১৯ সালের বিজেপি নেতাদের মারপিটের ভিডিও আবার জিইয়ে উঠলো

বুম দেখে ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়, ২০১৯ সালের মার্চ মাসের।

প্রায় এক বছরের পুরনো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি সাংসদকে ওই পার্টিরই এক বিধায়ককে জুতোপেটা করতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু অনলাইনে পোস্ট করার সময় একবারও বলা হচ্ছে না যে, ঘটনাটি মার্চ ২০১৯-এ ঘটেছিল।

বিজেপি পার্টির প্রতি কটাক্ষ করে, ভিডিওটি বিগত ২৪ ঘন্টা ধরে শেয়ার করা হচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ ও সোশাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। আর ক্যাপশনে বলা হচ্ছে, "বিজেপি বনাম বিজেপি, চটি দিয়ে মারামরি। অশিক্ষিত গাধার দল একটি মিটিঙে আলোচনা করতে পারে না অথচ দেশ চালাতে চায়!!!"

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওটির স্ক্রিনশট নীচে দেওয়া হল।

ভিডিওটি দেখা যাবে এখানে। ভিডিওটি আর্কাইভ করা আছে এখানে
অনেকেই একই ক্যাপশন সমেত ভিডিওটি পোস্ট করেছেন।

একই ধরণের আরও ভিডিও দেখা যাবে এখানেএখানে। পোস্টগুলি আর্কাইভ করা আছে এখানেএখানে
বুম দেখে যে, মার্চ ২০১৯-এ ভিডিওটি যখন প্রথম বেরয়, তখন সেটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। 'হিন্দুস্থান টাইমস'-এর একটি ভিডিও রিপোর্টে কি ঘটেছিল তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়।
৫ মার্চ ২০১৯-এ কয়েকটি উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করার জন্যে একটি বৈঠক ডাকে জেলা পরিকল্পনা কমিটি। বিজেপি সাংসদ শরদ ত্রিপাঠী ও বিধায়ক রাকেশ সিং বাঘেলের মধ্যে বচসা বাধে সেই বৈঠকে। একটি রাস্তার ভিত্তিপ্রস্তরে তাঁর নাম না থাকায় বিরক্তি প্রকাশ করেন ত্রিপাঠী। উত্তরে বাঘেল বলেন, সিদ্ধান্তটা তাঁরই। তাই শুনে ত্রিপাঠী তাঁর দিকে এগিয়ে যান ও নিজের জুতো খুলে বিধায়ককে মারতে থাকেন। বিধায়কও যখন সাংসদকে উল্টে মারেন, তখন ঘটনাটি তীব্র আকার ধারণ করে। বাকি দলের সদস্য ও পুলিশের হস্তক্ষেপে ঝগড়া থামে।
'নিউজ ১৮'-এর খবর অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে লখনউ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে সন্ত কবির নগরের কালেক্টরেটের প্রেক্ষাগৃহে। রাজ্য বিজেপি প্রধান এম এন পান্ডে এএনআই-কে বলেন পার্টির দুই প্রতিনিধিকেই লখনউয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিগত লোকসভা নির্বাচনে ত্রিপাঠীকে টিকিট দেওয়া হয়নি। রাকেশ সিং বাঘেল ইউপির মেহদওয়াল কেন্দ্রের বিধায়ক আছেন এখনও।

Updated On: 2020-02-25T17:41:44+05:30
Claim Review :  বিজেপি নেতারা এক বৈঠকে পারস্পরিক আলোচনার বদলে জুতো মারামারি করছে
Claimed By :  Social Media and Whatsapp users
Fact Check :  Misleading
Show Full Article
Next Story