BOOM
  • ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক
  • আইন
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Methodology-icon
    Methodology
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফ্যাক্ট চেক-icon
    ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ-icon
    বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক-icon
    ফাস্ট চেক
  • আইন-icon
    আইন
  • Home
  • ফ্যাক্ট চেক
  • এগুলি পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা থেকে...
ফ্যাক্ট চেক

এগুলি পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ছবি নয়

বুম দেখে অস্ত্র উদ্ধারের ছবিগুলি কলকাতার নয়, উত্তরপ্রদেশের বিজনোরের।

By - Krutika Kale |
Published -  19 Feb 2020 9:28 PM IST
  • এগুলি পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ছবি নয়

    আটটি ছবির একটি সেট ভাইরাল হয়েছে। সেগুলিতে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু বাজেয়াপ্ত বন্দুক এবং অভিযুক্তদের পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে যে, কলকাতার রাজাবাজারে অবস্থিত একটি মাদ্রাসা থেকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিযোগে ৬৩ বাচ্চাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ বাজেয়াপ্ত রাইফেল ও দিশি পিস্তল রাখা রয়েছে এবং পুলিশের একটি দল সাংবাদিক সম্মেলন করছে সেখানে। আর পেছনে দাঁড়িয়ে অভিযুক্তরা।

    ভাইরাল ছবিগুলির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে বলা হয়েছে, "পুলিশ কলকাতার রাজাবাজারে এক মাদ্রাসা থেকে ৬৩ বাচ্চাকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই বাচ্চারা জানায় যে, সন্ত্রাসবাদী হয়ে ওঠার জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। মিডিয়ার কাছে খবরটি গেলে, মিডিয়ার কর্মীরা বলেন তাঁরা সেটি প্রচার করতে পারবেন না, কারণ ওপরওয়ালারা তা চান না। তাই আপনারা এই ভিডিও যতটা সম্ভব শেয়ার করুন। তাহলে সবাই জানবেন মুসলমান বাচ্চাদের মাদ্রসায় পড়ানো হয়, সেখানে কি পড়ানো হয়, আর সেই শিক্ষার বাস্তব রূপ কি। ভারতের বেশিরভাগ মাদ্রাসাই ওই ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। শিক্ষার নামে মাদ্রাসাগুলি দেশকে ভাগ করার কাজ করছে। তারা জিহাদি তৈরি করছে।
    ফেসবুক পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে।
    বুম ওই ক্যাপশন দিয়ে টুইটারে সার্চ করে দেখে একই বক্তব্য সহ অন্য একটি ভিডিও আগে ভাইরাল হয়েছিল।

    Police arrested 63 madrasa children in Raja Bazar, Kolkata
    Children say that training to become a terrorist is given in madrasa
    When this thing went to the media, the media people said that we cannot show, we do not have orders from above. pic.twitter.com/S9GBq8wpGr

    — இந்துதேசம் (@HinduDesam) January 31, 2020
    টুইটটি দেখা যাবে এখানে। টুইটটি আর্কাইভ করা আছে
    এখানে
    ।
    বুম আগের ওই ভিডিওটি যাচাই করে দেখেছিল। দেখা যায়, সেটি কলকাতার ঘটনা। তাতে পুনের একটি মাদ্রাসায় পড়তে যাচ্ছিল এমন ৬৩ ছাত্রকে বৈধ কাগজপত্র না থাকার জন্য আটক করা হয়েছিল। বুমের তথ্য-যাচাই দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

    আরও পড়ুন: মিথ্যা: সিসিটিভি দৃশ্যেও রয়েছে গুলিতে আহত জামিয়া ছাত্রটি

    তথ্য যাচাই

    বুম রিভার্স ইমেজ সার্চ করে। দেখা যায়, ছবিগুলির সঙ্গে কলকাতার রাজাবাজারের তথাকথিত মাদ্রাসা ছাত্রদের সন্ত্রাসবাদী কাজে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দাবিটির কোনও সম্পর্ক নেই।

    পুলিশের সাংবাদিক সম্মেলন ও দেশি পিস্তলের ছবি

    পুলিশের সাংবাদিক সম্মেলন ও বাজেয়াপ্ত পিস্তলের ছবি দিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে, 'রিপাবলিক ভারত'-এ জুলাই ২০১৯-এর একটি রিপোর্ট সামনে আসে।

    জুলাই ২০১৯-এ করা বিজনোর পুলিশের একটি টুইটও আমরা পাই। তাতে বিস্তারিতভাবে বলা হয় যে, অভিযুক্তদের অস্ত্র (১ পিস্তল, ৪ বন্দুক ও কিছু কার্তুজ) চোরাচালান করার অভিযোগে শেরকোটে গ্রেপ্তার করা হয়।

    थाना शेरकोट @bijnorpolice द्वारा मदरसे में अवैध शस्त्रों की तस्करी करते 06 अभियुक्तगण 01 पिस्टल, 04 तमंचे व भारी मात्रा में कारतूसों सहित गिरफ्तार। #uppolice @Uppolice @adgzonebareilly @digmoradabad @News18India pic.twitter.com/WDj3kkBfIu

    — Bijnor Police (@bijnorpolice) July 11, 2019
    ইন্ডিয়া টুডে-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিজনোরের খান্ডালা এলাকায় দারুল কোরান হামিদিয়া মাদ্রসায় অভিযান চালায় পুলিশ।

    সোফার ওপর রাইফেলের ছবি

    একটি ঘরে সোফা ও টেবিলের ওপর রাখা পিস্তল ও রাইফেলের ছবিটিও পুরনো এবং সম্পর্কহীন। রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা যায়, ছবিটি টামব্লর-এ রয়েছে। সেটি ৩ মার্চ ২০১৯-এ তোলা হয়।

    সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট করা কিছু অস্ত্রের ছবি ভাইরাল হয়। দাবি করা হয় সেগুলি নাকি গুজরাটের একটি মসজিদ থেকে উদ্ধার করা হয়। বুম সেই পোস্টটি যাচাই করে দেখেছিল।

    Tags

    Madrasa StudentsTerroristsBijnor Police
    Read Full Article
    Claim :   কলকাতা রাজাবাজার থেকে পুলিশ ৬৩ জন মাদ্রাসা শিশুকে গ্রেফতার করেছে
    Claimed By :  Facebook
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!