জামিয়ার যে পড়ুয়ারা পুলিশের মোকাবিলা করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে রাহুল গান্ধীকে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

বুম দেখে, যে মেয়েটির সঙ্গে রাহুল গান্ধীকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন কেরলের ছাত্রী সাফা ফেবিন, যিনি কংগ্রেস নেতার বক্তৃতা ভাষান্তর করে ছিলেন।

মঞ্চে-বসা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কেরলের এক ছাত্রীর ছবিকে মিথ্যে দাবি সহ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ইউনিভারসিটির (জেএমআইইউ) ছাত্র বিক্ষোভের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

ভাইরাল পোস্টগুলিতে তিনটি ছবির একটি সেট ব্যবহার করা হয়েছে। একটি হল সাফা ফেবিনের। আর অন্য দুটি জেএমআইইউ-র ছাত্রী লাডিডা ও আয়েশার, যাঁরা পুলিশের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

ভাইরাল পোস্টে ওই ইউনিভারসিটির ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির (আপ) যোগাযোগ আছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সঙ্গে এও বলা হয়েছে যে, তাঁদের প্রতিবাদ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

পোস্টগুলির ক্যাপশনে বলা হয়েছে: "এই জেহাদিনকে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। পাথর ছুঁড়ছিল এমন এক বিক্ষোভকারীকে সে পুলিশের হাত থেকে বাঁচায় এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তোলে। তার সঙ্গে রাহুল গান্ধীর ছবি থেকে একটা কথা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, তার প্রতিবাদ সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং কংগ্রেস ও আপ দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল। আজ সারা দেশ দেখছে, এখানে কত ধর্মান্ধ ব্যক্তির সমাগম হয়েছে।"

(মূল হিন্দি বয়ানটি এই রকম: #राहुल_गांधी के साथ ये वही #जिहादिन है जो कल सुरक्षा बलों पर पथराव कर रहे दंगाई को बचा रही थी और भद्दी भद्दी गालिया दे रही थी।🤔 राहुल के साथ इसका फ़ोटो देखकर एक बात साफ हो गई कि ये दंगे पूर्ण रूप से सुनियोजित तरीके से #कोंग्रेस ओर #आम_आदमी_पार्टी के मिलीभगत से हुआ है।😠 आज पूरा देश देख रहा है कितने गद्दार भरे पड़े हैं हमारे बीच में।)


তথ্য যাচাই

প্রথম ছবিতে একজন ছাত্রীকে রাহুল গান্ধীকে প্রশ্ন করতে দেখা যাচ্ছে। সেটি ডিসেম্বরের শুরুতে মালাপ্পুরামের কারুভাকুন্ডু গভরনমেন্ট হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে তোলা হয়। ওই স্কুলের নতুন একটি ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করতে রাহুল গান্ধী সেখানে গিয়ে ছিলেন। রাহুল গান্ধী বলেন উনি ইংরেজিতে ভাষণ দেবেন এবং যে কোনও একজন ছাত্রীকে তাঁর ভাষণ মালয়ালিতে অনুবাদ করে দিতে হবে। তখন ১৭ বছরের সাফা ফেবিন মঞ্চে উঠে যান ও কংগ্রেস নেতার ভাষণ অনুবাদ করতে সাহায্য করেন। আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন।

বাকি দুটি হল, জেএমআইইউ ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে উঠলে, পুলিশের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ছবি। সেই মুহূর্তে অনেক পড়ুয়া একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন। লাডিডা ফার্জানা ও আয়েশা রেন্না তঁদের সহপাঠীকে মারের হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তাঁদের সেই পদক্ষেপের ফুটেজ সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

নীচে ফার্জানা ও রেন্নার ইন্টারভিউ দেখুন।



Updated On: 2019-12-21T20:55:37+05:30
Claim Review :  ছবির দাবি জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার বিক্ষোভকারী ছাত্রীর সঙ্গে কংগ্রেস ও আপের সঙ্গে সম্পর্ক আছে
Claimed By :  Facebook Pages
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story