BOOM
  • ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক
  • আইন
  • Home-icon
    Home
  • Authors-icon
    Authors
  • Contact Us-icon
    Contact Us
  • Methodology-icon
    Methodology
  • Correction Policy-icon
    Correction Policy
  • ফ্যাক্ট চেক-icon
    ফ্যাক্ট চেক
  • বিশ্লেষণ-icon
    বিশ্লেষণ
  • ফাস্ট চেক-icon
    ফাস্ট চেক
  • আইন-icon
    আইন
  • Home
  • ফ্যাক্ট চেক
  • এক মহিলার দোকান ভাঙচুরের ভিডিওতে...
ফ্যাক্ট চেক

এক মহিলার দোকান ভাঙচুরের ভিডিওতে লাগল ধর্মীয় রঙ

বুম জানতে পারে যে, এক মহিলা ও তাঁর স্বামী নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছিলেন এবং তাঁরা দু’জনেই হিন্দু।

By - Anmol Alphonso |
Published -  20 Oct 2020 7:29 PM IST
  • এক মহিলার দোকান ভাঙচুরের ভিডিওতে লাগল ধর্মীয় রঙ

    এক হিন্দু দম্পতির নিজেদের মধ্যে ঝগড়ার দৃশ্য মিথ্যে সাম্প্রদায়িক বার্তা সমেত ভাইরাল হয়েছে। বলা হচ্ছে, মহিলাটি হিন্দু আর তাঁর মুসলমান স্বামী তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।

    বুম দেখে স্বামী-স্ত্রী দু'জনেই হিন্দু এবং ঘটনাটিতে সাম্প্রদায়িকতার কোনও লেশমাত্র নেই।
    ভাইরাল ক্লিপটিতে মহিলাকে একটি দোকান ভাঙচুর করতে দেখা যাচ্ছে। আর সেই সঙ্গে উনি কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করছেন যে, তাঁর স্বামী তাঁকে ঠকিয়েছেন। মহিলা বলছেন, তাঁর স্বামীর আরও এক স্ত্রী আছেন এবং তাঁদের দু'টি সন্তানও রয়েছে।
    ভাইরাল ক্লিপটির ক্যাপশনে বলা হয়েছে, "আগে বিয়ে করে থাকলেও এবং দুই সন্তানের বাবা হওয়া সত্ত্বেও, এক অল্পবয়সী মুসলসান পুরুষ মিথ্যে বলে এক হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করে।"
    দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন; আর্কাইভের জন্য এখানে।

    দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন; আর্কাইভের জন্য এখানে।
    ফেসবুকে ভাইরাল
    ক্যাপশনটি দিয়ে সার্চ করলে দেখা যায়, মিথ্যে ক্যাপশন সহ ভাইরাল ক্লিপটি ফেসবুকেও শেয়ার করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে এক পরিবারের তিন সদস্য খুনের পুরনো ঘটনা ভুয়ো দাবিতে ভাইরাল
    তথ্য যাচাই
    বুম দেখে ভাইরাল ক্লিপটি মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে তোলা এবং ঘটনাটির সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার কোনও যোগ নেই। কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আমাদের নজরে আসে যেখানে মহিলা নিজেকে নেহা পাতিল বলে শনাক্ত করছেন আর স্বামীকে আনন্দ পাতিল হিসেবে।
    স্থানীয় রিপোর্টে বলা হয় যে, তাঁর স্বামীর আরও একজন স্ত্রী আছেন ও তাঁদের দুটি সন্তানও আছে, এ কথা জানার পরই ওই মহিলা দোকানটি ভাঙচুর করেন।
    ভাইরাল ক্লিপটির সূত্র ধরে, আমরা 'উম্যান,' 'হাজব্যান্ড' 'আর্য সমাজ মন্দির' – এই কি-ওয়ার্ডগুলি দিয়ে সার্চ করি। তার ফলে ওই ঘটনাটি সম্পর্কে কিছু সংবাদ প্রতিবেদন সামনে আসে। তাতে বলা হয়, যে দুধের পার্লারে তাঁর স্বামী আনন্দ পাতিল কাজ করতেন, মহিলা সেই পার্লারটি ভাঙচুর করেন।
    হিন্দি সংবাদপত্র 'দৈনিক ভাস্কর'-এর রিপোর্টে বলা হয় যে, ১৪ অক্টোবর ২০২০-তে, ইন্দোরের ভোলারাম ওস্তাদ রোডের একটি দুধের পার্লারে একজন অল্পবয়সী মহিলা খুব হইচই ও ভাঙচুর করেন। উনি অভিযোগ করেন, ওই পার্লারে মালিক তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। মহিলার দাবি, লোকটি নিজেকে একজন অনাথ বলে জাহির করেছিল ও তাঁর সঙ্গে তিন বছর কাটায়। তারপর লোকটি চলে গেলে, উনি জানতে পারেন যে, তিনি বিবাহিত ও তাঁর দুই সন্তান আছে।
    ভানভারকুঁয়া থানার অ্যাসিসটেন্ট সাব-ইন্সপেক্টর জগদীশ মালব্যর কথা উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে বলা হয়, মহিলাটি অভিযোগ করেন যে, ইন্দোরের ছোটা বাঙ্গারদা-য় একটি দুধের পার্লারের মালিক আনন্দ পাতিল ২০১৭-র জুন তাঁকে আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেন। কিন্তু এবছর জুন মাসে তিনি জানতে পারেন যে, আনন্দ পাতিলের আরও এক স্ত্রী আছেন।

    ওই ঘটনা সম্পর্কে রিপোর্ট

    ইউটিইবে সার্চ করলে, ওই ঘটনা সংক্রান্ত কিছু স্থানীয় রিপোর্ট আমরা দেখতে পাই। একটি রিপোর্টের ২.০৫ মিনিটের মাথায়, মহিলাকে রিপোর্টারদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে নেহা পাতিল হিসেবে তিনি নিজের পরিচয় দেন এবং বলেন, তাঁর স্বামীর নাম হল আনন্দ পাতিল। আর ২.৪০ মিনিটের মাথায়, ওই ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশের বয়ানটি শুনতে পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: শিবরাজ সিংহ চৌহানকে তাক করতে কংগ্রেস একটি মহড়ার ভিডিও ব্যবহার করেছে

    Tags

    Fake NewsFact CheckLove JihadHinduMuslimviral videoHusband CheatingSecond MarrigeMadhya PradeshAmul ShopIndore
    Read Full Article
    Claim :   ভিডিও দেখায় এক হিন্দু মহিলা নিজের মুসলমান স্বামীর দোকান ভাঙচুর করছেন, কেননা সে আগে বলেনি যে সে বিবাহিত
    Claimed By :  Facebook Posts
    Fact Check :  False
    Next Story
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
    Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.
    X
    Or, Subscribe to receive latest news via email
    Subscribed Successfully...
    Copy HTMLHTML is copied!
    There's no data to copy!