Explore

HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
MethodologyNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফ্যাক্ট চেকNo Image is Available
বিশ্লেষণNo Image is Available
ফাস্ট চেকNo Image is Available
আইনNo Image is Available

Explore

HomeNo Image is Available
AuthorsNo Image is Available
Contact UsNo Image is Available
MethodologyNo Image is Available
Correction PolicyNo Image is Available

Languages & Countries :






More about them

ফ্যাক্ট চেকNo Image is Available
বিশ্লেষণNo Image is Available
ফাস্ট চেকNo Image is Available
আইনNo Image is Available
ফ্যাক্ট চেক

রমজানে বিয়ে দেওয়া নিয়ে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ছড়াল ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি

জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে ‘নিকাহ’ সম্পর্কিত এই বিজ্ঞপ্তিকে ভুয়ো বলে জানান হয়।

By -  Jagriti Trisha |

25 Feb 2026 6:26 PM IST

দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jamia Millia Islamia University) নাম করে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল এক বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি দাবি করা হয়, রমজান মাসে ক্যাম্পাসে একসঙ্গে দেখা গেলে জুটিদের অবিলম্বে বিয়ে (নিকাহ) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

বুম যাচাই করে দেখে, জামিয়া এমন কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্পষ্টীকরণ প্রকাশ করে জানায় ভাইরাল হওয়া বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়ো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে তা ছড়ানো হয়েছে।

ভাইরাল বিজ্ঞপ্তিতে জামিয়ার লেটারহেড দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে লেখা হয়, “এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে, পবিত্র রমজান মাসে জোড়ায় (ছেলে ও মেয়ে) একসঙ্গে দাঁড়ানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। যদি কোনো জুটিকে একসঙ্গে দাঁড়াতে দেখা যায়, তবে তাদের নিকাহ অবিলম্বে সম্পন্ন করা হবে। অনুগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা রক্ষা করুন এবং অপ্রয়োজনীয় ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলুন। নোট: নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে জুটিকেই তাদের ওয়ালিমার আয়োজন করতে হবে।”

বিজ্ঞপ্তিটিতে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখের উল্লেখ এবং রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরও দেখতে পাওয়া যায়।

ভাইরাল দাবি 

একজন এক্স ব্যবহারকারী ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, “এটি কি বিশ্ববিদ্যালয় নাকি বিয়ের এজেন্সি? তাদেরকে নীতি পুলিশ হবার অধিকার দিয়েছে?”

পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন এবং আর্কাইভ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

কী পেলাম আমরা অনুসন্ধানে: ভাইরাল বিজ্ঞপ্তি ভুয়ো

১. ভাইরাল বিজ্ঞপ্তিতে ত্রুটি: বিজ্ঞপ্তিটির ভাষা অনানুষ্ঠানিক, যা কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাছাড়া, একটি গণতান্ত্রিক দেশের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এধরনের নির্দেশ জারি করা অস্বাভাবিক, যা সন্দেহ আরও বাড়ায়।

এছাড়া, নোটিশে ইস্যুর তারিখ হিসেবে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ উল্লেখ থাকলেও ডেপুটি রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরের নিচে ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ লেখা রয়েছে। তারিখের এই অমিল ইঙ্গিত দেয় যে বিজ্ঞপ্তিটি পরিবর্তন করা হয়ে থাকতে পারে এবং তা আসল নয়।

২. জামিয়া নোটিশটিকে ভুয়ো বলেছে: ভাইরাল বিজ্ঞপ্তিটি জামিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট বা সামাজিক মাধ্যমের কোনো প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞপ্তিটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে একটি স্পষ্টীকরণ জারি করে জানায় যে নোটিশটি ভুয়ো।

জামিয়া তাদের স্পষ্টীকরণে জানায়, “এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, নোটিফিকেশন নং C840-9(2)/RO/2026 তারিখ ২০.০২.২০২৬, যেখানে বলা হয়েছে পবিত্র রমজান মাসে কোনো ছেলে ও মেয়েকে একসঙ্গে দাঁড়াতে দেখা গেলে তাদের নিকাহের ব্যবস্থা করা হবে, এমন একটি নোটিশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে যা সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমন কোনো নোটিফিকেশন জারি করেনি। সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিতে, কারণ এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ধরনের বিজ্ঞপ্তির নিন্দা জানাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিল্লি পুলিশের সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করেছে।”

Full View

কীওয়ার্ড অনুসন্ধানে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামেও অনুরূপ সার্কুলার পাওয়া যায়, যেমন বাহরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বহাউদ্দিন জাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয় মুলতান, কমসাটস বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজেস। বাহরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে রেফারেন্স নম্বর আলাদা হলেও অন্যগুলোর, জামিয়াসহ, রেফারেন্স নম্বর একই ছিল। বাহরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও সামাজিক মাধ্যমে দাবিটি খণ্ডন করে বিজ্ঞপ্তিটিকে ভুয়ো বলে জানায়।

Tags:

Related Stories