এগুলি কি মানব-শূকর সংকর শাবকের ছবি?

বুম দেখে ভাইরাল হওয়া এই ছবিগুলি ইতালির পরাবাস্তব শিল্পী লাইরা মাগানুকো'র সিলিকন ভাস্কর্য।

ইতালির পরাবাস্তব শিল্পী লাইরা মাগানুকো'র তিনটি সিলিকন ভাস্কর্যের ছবি যা দেখলে মনে হবে মানব-শূকর সংকর প্রাণীর শাবক, তা সোশাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর দাবি সহ শেয়ার করা হচ্ছে।

তিনটি ছবির প্রথমটি দেখলে মনে হয় যেন এক শূকরের পাশে শুয়ে রয়েছে শাবকটি। অন্য ছবিদুটিতে শূকর সদৃশ্য মাথার আকারে প্রাণীটি চোখ বোজা অবস্থায় শুয়ে রয়েছে।

ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে ক্যাপশন লেখা হয়েছে, ''জানিনা দুনিয়াতে আল্লাহ. আর কি নজির দেখাইবে''

পোস্টটি দেখা যাবে এখানে। পোস্টটি আর্কাইভ করা আছে এখানে

সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়া ভাইরাল ছবিগুলি।

আরও পড়ুন: গুজরাতে নাবালিকাকে মারধোর করার ভিডিও উত্তরপ্রদেশের বলে ভাইরাল

তথ্য যাচাই

বুম ছবিগুলিকে রিভার্স সার্চ করলে বিষয়টি নিয়ে একাধিক তথ্য-যাচাইকারীর প্রতিবেদন খুঁজে পায়।

বুমও ২০১৮ সালের অগস্ট মাসে বিষয়টি নিয়ে তথ্য-যাচাই করেছে। সে সময়ও এগুলিকে শূকরের অদ্ভূত-দর্শন শাবক প্রসব বলে গুজব রটানো হয়েছিল।

বুম দেখে এগুলি আসলে ইতালির পরাবাস্তব সিলিকন ভাস্কর্য শিল্পী লাইরা মাগানুকো'র তৈরি শিল্পকর্ম। তাঁর ওয়েবাইসাইটইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এরকম একাধিক ভাস্কর্য শিল্পের হদিস মেলে।

লাইরা মাগানুকো ইনস্টাগ্রামে এই ছবি প্রকাশ করেছিলেন ২৫ জুলাই ২০১৮।

ছবির বর্ণনাতে স্পষ্ট করে সে কথা লেখেন যে এগুলি "শূকরের একক ভাস্কর্য।"


লাইরা মাগানুকোর তৈরি সিলিকন ভাস্কর্য বেশ কয়েকবছর ধরেই ভুয়ো খবরে ইন্ধন যুগিয়ে চলেছে। এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এমনই এক অদ্ভূতদর্শন প্রাণীর ছবি যা আসলে মাগানুকোর আরেকরকমের শৈল্পিক সৃষ্টি তা শেয়ার করে দাবি করা হয়—পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের জঙ্গলে নাকি দেখা মিলেছে ওই জন্তুর। আর সেই জন্তু নাকি আক্রমণ করে আহত করেছে ওই এলাকার গ্রামবাসীদের। বুম পুরুলিয়ার বনদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দাবিটিকে নাকচ করে দেওয়া হয়।

২০১৯ সালের জুন মাসে লাইরা মাগানুকোর হাতে তৈরি আরেক সিলিকন ভাস্কর্যকে বলা হয়— আফ্রিকায় হদিস মেলা অদ্ভূত দর্শন প্রাণী, বুম সেই ভুয়ো দাবিও খণ্ডন করে।

আরও পড়ুন: আরমেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধ বলে টিভি৯ ভারতবর্ষ দেখাল ভিডিও গেম

Updated On: 2020-10-12T20:43:36+05:30
Claim :   ছবির দাবি শূকর-মানব শংকর আজব প্রাণী
Claimed By :  Facebook Post
Fact Check :  False
Show Full Article
Next Story
Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors.
Please consider supporting us by disabling your ad blocker. Please reload after ad blocker is disabled.